সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইন্টারনেটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার আহ্বান

২৯ মার্চ, ২০২১ ১৩:০৭  
দেশে গত দু তিন দিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে তাছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে তা না করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত ২৫ শে মার্চ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে এর আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একপ্রকার অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এ কথা ঠিক। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ মার্চ দিবাগত রাত থেকে দেশের সবচাইতে ব্যবহৃত দুটি অ্যাপস বিশেষ করে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার বন্ধ করা হয়েছে বা ক্ষেত্রবিশেষে রেশনিং করা হয়েছে। যদিও বিশেষ প্রয়োজনীয়তার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যক্তি এবং কিছু অপ ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন মাধ্যম বিশেষ করে ভিপিএন দিয়ে এ মাধ্যম দুটি ব্যবহার করে আসছে উল্লেখ করে ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়,  এক্ষেত্রে সবচাইতে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছে সাধারণ ব্যবহারকারীরা। বর্তমানে এই মাধ্যমটি ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৪কোটি৫০লাখ। তিনি আরো বলেন, করোনা মহামারী ঊর্ধ্বমুখী হবার পর থেকে এ মাধ্যম জ্যোতি ব্যবহার করে শিক্ষা, চিকিৎসা, বাণিজ্য, টেলিভিশনে সংবাদ বিনোদন, লাইনে খবর পড়া সবাই পরিচালিত হচ্ছে। এই মাধ্যম ব্যবহার না করার ফলে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে টেলিমেডিসিন ,ই-কমার্স ও শিক্ষা। একথা ঠিক যে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৬৬ (ক) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র ও সরকার এর বিরুদ্ধে কোন উস্কানিমূলক বক্তব্য বা প্রচার করার বিরুদ্ধে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে এমনকি চিহ্নিত অপরাধীকে ৩০০কোটি জরিমানা ও ৫ বছরের জেল দিতে পারে। কিন্তু দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট বিচার-বিবেচনা করে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা পড়া, চিকিৎসা, বাণিজ্য, সহ সামগ্রিক দিক বিচার বিবেচনা করে সরকার দ্রুত এসকল মাধ্যমকে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। মুষ্টিমেয় অপব্যবহারকারীদের কারণে দেশের সামগ্রিক ব্যবহারকারীরা জিম্মি হতে পারে না। আমাদের সরকারের কাছে দাবী দ্রুত এই মাধ্যম দুটিকে সহ ইন্টারনেটের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন- উল্লেখ করা হয় এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।